
খুব সরলভাবে বলা যায়, বিশ্বাস বা আস্থা থাকে বলে গ্রাহকেরা ব্যাংকে অর্থ জমা রাখেন। আস্থা থাকে বলেই ব্যাংকে হাজারো টাকা রেখে আমরা বাড়িতে নিশ্চিন্তে ঘুমাই। আস্থা না থাকলে ব্যাংকে অর্থ রাখেন না গ্রাহকেরা। ব্যবসা কিংবা যেকোনো প্রতিষ্ঠান অনেক দিন টিকে থাকে তার বিশেষ এক গুণের জন্য। এই গুণের নাম আস্থা বা বিশ্বাস। গ্রাহকেরা পণ্যের ওপর আস্থা বা বিশ্বাস না রাখলে সেই পণ্য বা প্রতিষ্ঠান বাজার থেকে হারিয়ে যেতে পারে। গ্রাহকের বিশ্বাস ভাঙলে প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাওয়ার নজির অনেক আছে। একইভাবে আমরা যখন কোনো প্রতিষ্ঠানে কাজ করি, আমাদের প্রতিষ্ঠান ও কাজের প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস তৈরি করতে হয়। যেকোনো সফল প্রতিষ্ঠান বা দলের দিকে তাকালে একটি অদৃশ্য, কিন্তু শক্তিশালী এই উপাদান খুঁজে পাই। কর্মী বা ব্যবস্থাপক হিসেবে পারস্পরিক আস্থা ও বিশ্বাস বড় একটা গুণ। আস্থা অর্জন ও বিশ্বাস কিন্তু নিছক কোনো সফট স্কিল নয়। পেশাগত জীবনে সামনে এগিয়ে যাওয়া, কর্মী হিসেবে দক্ষতা অর্জনের জন্য একটি কৌশলগত সম্পদ। হার্ভার্ড বিজনেস রিভিউয়ের গবেষণা অনুযায়ী, যে অফিসে আস্থার পরিবেশ বেশি থাকে, সেখানে কর্মরত কর্মীরা বেশি উৎপাদনশীল কাজ করেন। তাঁরা প্রতিষ্ঠানের প্রতি দ্বিগুণ বেশি অনুগত থাকেন।
Leave a Reply